অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ কী? জেনে নিন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ

ঘাম হওয়া শরীরের স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। গরমে, ব্যায়াম করার সময়, জ্বর হলে বা মানসিক চাপের কারণে শরীরে ঘাম হতে পারে। কিন্তু কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই যদি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ঘাম হয় এবং তা দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা তৈরি করে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

অনেকেই জানতে চান শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ কী, কোন ভিটামিনের অভাবে বেশি ঘাম হয়, রাতে অতিরিক্ত ঘাম কোন রোগের লক্ষণ, কিংবা অতিরিক্ত ঘাম হলে কী করা উচিত। এই লেখায় এসব প্রশ্নের সহজ উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি কখন অতিরিক্ত ঘামকে সাধারণ সমস্যা হিসেবে না দেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, সেটিও জানানো হবে।

অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ কী? জেনে নিন ১০টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ

অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কি স্বাভাবিক?

কিছু পরিস্থিতিতে বেশি ঘাম হওয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। যেমন—

  • গরম বা আর্দ্র আবহাওয়া
  • ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম
  • জ্বর
  • দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ
  • ঝাল খাবার খাওয়া
  • শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া

ঘামের মূল কাজ হলো শরীরকে ঠান্ডা রাখা। শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে স্নায়ুতন্ত্র ঘামগ্রন্থিকে সক্রিয় করে এবং ঘাম বাষ্প হয়ে শরীরকে ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। তবে শরীর ঠান্ডা করার প্রয়োজন না থাকলেও যদি অতিরিক্ত ঘাম হয়, তাকে excessive sweating বা hyperhidrosis বলা হতে পারে। এটি শরীরের নির্দিষ্ট অংশে অথবা পুরো শরীরেই হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ

অতিরিক্ত গরমে সুস্থ থাকার উপায় ও শরীর ঠান্ডা রাখার ৭টি টিপস

শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ কী?

অতিরিক্ত ঘামের পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। সব ক্ষেত্রে এটি কোনো রোগের লক্ষণ নয়। নিচে প্রধান কারণগুলো আলোচনা করা হলো:

১. গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া

বাংলাদেশের মতো গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় শরীর থেকে বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। তাপমাত্রা বেশি হলে শরীর নিজেকে ঠান্ডা রাখতে বেশি ঘাম তৈরি করে। একই কারণে গরম ঘরে থাকা বা অতিরিক্ত মোটা কাপড় পরলেও ঘাম বেড়ে যেতে পারে।

২. অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম

দৌড়ানো, ব্যায়াম করা, ভারী কাজ করা বা দীর্ঘ সময় হাঁটার সময় শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে। তখন শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য ঘাম বেড়ে যায়। এ ধরনের ঘাম সাধারণত স্বাভাবিক এবং বিশ্রাম নেওয়ার পর ধীরে ধীরে কমে যায়।

৩. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

অনেকের দুশ্চিন্তা, ভয়, লজ্জা বা নার্ভাস অবস্থায় হাতের তালু, পায়ের পাতা, বগল বা মুখে বেশি ঘাম হয়। পরীক্ষা, ইন্টারভিউ, গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা কোনো stressful পরিস্থিতিতে হঠাৎ ঘাম হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে মানসিক চাপ।

৪. ঝাল খাবার ও কিছু পানীয়

ঝাল খাবার শরীরের তাপমাত্রা ও স্নায়ুর প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করে ঘাম বাড়াতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা অ্যালকোহলও কিছু মানুষের ঘাম বাড়াতে পারে। যদি নির্দিষ্ট কোনো খাবার খাওয়ার পর বারবার বেশি ঘাম হয়, তাহলে সেটি লক্ষ্য করে সেই খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেখতে পারেন।

৫. হরমোনের পরিবর্তন

হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে মাসিকের পরিবর্তন, গর্ভাবস্থা বা মেনোপজের সময় শরীরে হঠাৎ গরম লাগা ও ঘাম বেড়ে যেতে পারে। মেনোপজের সময় hot flash বা হঠাৎ গরম লাগার সঙ্গে ঘাম হওয়া বেশ পরিচিত একটি সমস্যা।

৬. থাইরয়েডের সমস্যা

থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। থাইরয়েড অতিরিক্ত সক্রিয় হলে শরীরে গরম লাগা ও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। এর সঙ্গে দ্রুত হৃদস্পন্দন, ওজন কমে যাওয়া, অস্থিরতা বা হাত কাঁপার মতো অন্যান্য লক্ষণও থাকতে পারে।

৭. রক্তে শর্করার পরিবর্তন

বিশেষ করে ডায়াবেটিসে রক্তে শর্করার মাত্রা খুব কমে গেলে (Hypoglycemia) ঘাম, কাঁপুনি, দুর্বলতা, ক্ষুধা বা মাথা ঘোরা দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস থাকলে বারবার এমন সমস্যা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ।

৮. জ্বর বা সংক্রমণ

জ্বরের সময় শরীরের তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে ঘাম হতে পারে। কিছু সংক্রমণের ক্ষেত্রেও ঘাম দেখা দিতে পারে। তাই অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে জ্বর, কাশি, দুর্বলতা বা অন্য কোনো নতুন উপসর্গ থাকলে কারণটি খুঁজে দেখা দরকার।

৯. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও ঘাম বেড়ে যেতে পারে। তাই নতুন কোনো ওষুধ শুরু করার পর হঠাৎ অতিরিক্ত ঘাম শুরু হলে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বন্ধ না করে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

১০. হাইপারহাইড্রোসিস

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই শরীরের নির্দিষ্ট অংশে অতিরিক্ত ঘাম হয়। একে hyperhidrosis বলা হয়। Primary hyperhidrosis সাধারণত হাতের তালু, পায়ের পাতা, বগল বা মুখে বেশি দেখা যায় এবং এটি পরিবারেও চলতে পারে। অন্যদিকে কোনো রোগ বা ওষুধের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হলে তাকে secondary hyperhidrosis বলা হয়।

অতিরিক্ত ঘাম কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে?

অতিরিক্ত ঘাম বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। যেমন— থাইরয়েডের অতিরিক্ত কার্যক্রম, ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করার পরিবর্তন, কিছু সংক্রমণ, হরমোনের পরিবর্তন, কিছু স্নায়বিক সমস্যা এবং ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ঘাম হলেই যে এসব রোগের কোনো একটি আপনার আছে—এমন নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার।

কোন ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে?

শুধু অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছে বলে কোনো নির্দিষ্ট ভিটামিনের ঘাটতি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ভিটামিন বা খনিজের ঘাটতি সন্দেহ হলে আপনার অন্যান্য লক্ষণ, খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যগত অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে পারেন। তাই নিজের ইচ্ছায় উচ্চমাত্রার ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট শুরু না করাই ভালো।

B12-এর অভাবে কি অতিরিক্ত ঘাম হয়?

শুধু অতিরিক্ত ঘাম হওয়াকে ভিটামিন B12-এর ঘাটতির নির্দিষ্ট লক্ষণ হিসেবে ধরা যায় না। B12-এর ঘাটতির বিভিন্ন শারীরিক ও স্নায়বিক প্রভাব থাকতে পারে। তাই যদি অতিরিক্ত ঘামের পাশাপাশি দুর্বলতা, অসাড়তা বা ঝিনঝিন অনুভূতি থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Vitamin D কম থাকলে কি অতিরিক্ত ঘাম হয়?

Vitamin D-এর ঘাটতি এবং অতিরিক্ত ঘাম নিয়ে অনলাইনে অনেক দাবি দেখা যায়। কিন্তু শুধুমাত্র অতিরিক্ত ঘামকে Vitamin D-এর ঘাটতির নির্ভরযোগ্য লক্ষণ হিসেবে ধরা ঠিক নয়। সন্দেহ থাকলে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

রাতে অতিরিক্ত ঘাম কোন রোগের লক্ষণ?

ঘুমের সময় ঘাম হওয়া সবসময় রোগের লক্ষণ নয়। ঘর গরম থাকা বা মোটা কম্বল ব্যবহারের কারণেও রাতে ঘাম হতে পারে। কিন্তু ঘর ঠান্ডা থাকা সত্ত্বেও যদি নিয়মিত এত বেশি ঘাম হয় যে বিছানা ভিজে যায়, তবে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে। রাতে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে জ্বর, কাশি বা অকারণে ওজন কমে যাওয়া থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

হাত, পা ও মাথা অতিরিক্ত ঘামার কারণ

হাতের তালু ও পায়ের পাতায় অতিরিক্ত ঘাম হওয়াকে primary hyperhidrosis বলা হয়। অনেক সময় গরম না থাকলেও হাত-পা ভিজে থাকে। অন্যদিকে মাথা ও মুখে ঘাম হওয়ার কারণও সাধারণ ঘামের মতোই হতে পারে। তবে যদি কোনো কারণ ছাড়াই মাথায় নিয়মিত অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং তা কাজে সমস্যা তৈরি করে, তবে ডাক্তার দেখানো উচিত।

শরীরে অতিরিক্ত ঘাম কমানোর উপায়

অতিরিক্ত ঘাম কমানোর জন্য আপনি নিচের অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে পারেন:

  • ঢিলেঢালা পোশাক পরুন: গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় বাতাস চলাচল করতে পারে এমন সুতির আরামদায়ক পোশাক বেছে নিন।
  • ঝাল খাবার কমান: অতিরিক্ত ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে ঘাম উৎপন্ন করে।
  • ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন: অতিরিক্ত চা বা কফি ঘাম বাড়াতে পারে।
  • শরীর পরিষ্কার রাখুন: ঘাম হওয়ার পর শরীর দ্রুত পরিষ্কার ও শুকনো রাখার চেষ্টা করুন যাতে ত্বকের সমস্যা না হয়।
  • শোষণকারী মোজা ব্যবহার: পায়ে বেশি ঘাম হলে সুতির মোজা ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত পরিবর্তন করুন।

অতিরিক্ত ঘামের জন্য কখন ডাক্তার দেখাবেন?

নিচের যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো:

  • হঠাৎ আগের তুলনায় অনেক বেশি ঘাম শুরু হলে।
  • নিয়মিত রাতে অতিরিক্ত ঘাম হলে।
  • ঘাম দৈনন্দিন জীবন বা কাজকর্মে বাধা দিলে।
  • অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে অকারণে ওজন কমতে থাকলে।
  • ঘামের সঙ্গে জ্বর, কাশি বা অন্য কোনো নতুন উপসর্গ থাকলে।

FAQ: শরীরে অতিরিক্ত ঘাম নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

১. শরীরে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ কী?

গরম, ব্যায়াম, মানসিক চাপ, ঝাল খাবার, হরমোনের পরিবর্তন, কিছু রোগ, কিছু ওষুধ এবং hyperhidrosis-এর কারণে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

২. অতিরিক্ত ঘাম হলে করণীয় কী?

ঢিলেঢালা পোশাক পরুন, গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলুন, ঝাল খাবার ও যেসব খাবার আপনার ঘাম বাড়ায় সেগুলো কমান এবং শরীর শুকনো রাখুন। সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৩. কোন ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘাম হয়?

শুধু অতিরিক্ত ঘামের ভিত্তিতে কোনো নির্দিষ্ট ভিটামিনের ঘাটতি নির্ণয় করা যায় না। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করে কারণ খুঁজে বের করা উচিত।

৪. B12-এর অভাবে কি অতিরিক্ত ঘাম হয়?

অতিরিক্ত ঘামকে B12 ঘাটতির নির্দিষ্ট লক্ষণ বলা যায় না। অন্য উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে।

৫. Vitamin D কম থাকলে কি অতিরিক্ত ঘাম হয়?

শুধু অতিরিক্ত ঘাম হওয়াকে Vitamin D-এর ঘাটতির নির্ভরযোগ্য লক্ষণ হিসেবে ধরা উচিত নয়। Vitamin D-এর ঘাটতি নিয়ে সন্দেহ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৬. রাতে অতিরিক্ত ঘাম কোন রোগের লক্ষণ?

গরম ঘর বা বেশি কাপড়ের কারণেও রাতে ঘাম হতে পারে। তবে ঠান্ডা পরিবেশেও নিয়মিত অতিরিক্ত ঘাম হলে এবং সঙ্গে জ্বর, কাশি বা অকারণে ওজন কমার মতো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭. অতিরিক্ত মাথা ঘামার কারণ কী?

গরম, ব্যায়াম, মানসিক চাপ, জ্বর, হরমোনের পরিবর্তন এবং hyperhidrosis-এর কারণে মাথায় বেশি ঘাম হতে পারে।

৮. শিশুদের অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ কী?

শিশুরাও গরম পরিবেশ, শারীরিক সক্রিয়তা বা অতিরিক্ত কাপড়ের কারণে ঘামতে পারে। তবে অস্বাভাবিকভাবে বেশি বা রাতে নিয়মিত ঘাম হলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

৯. শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে কেন?

শরীরকে ঠান্ডা রাখার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, মানসিক চাপ, হরমোনের পরিবর্তন, hyperhidrosis, কিছু রোগ বা ওষুধের কারণে শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম ঝরতে পারে।

১০. অতিরিক্ত ঘাম কোন রোগের লক্ষণ?

অতিরিক্ত ঘাম কখনো hyperhidrosis-এর লক্ষণ হতে পারে। এছাড়া থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস, কিছু সংক্রমণ, হরমোনের পরিবর্তন বা কিছু ওষুধের কারণেও ঘাম বেড়ে যেতে পারে। তবে ঘামের ওপর ভিত্তি করে কোনো রোগ নিশ্চিত করা যায় না।

শেষ কথা: শরীরে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। বরং ঘাম শরীরকে অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে গরম বা ব্যায়ামের মতো স্বাভাবিক কারণ ছাড়াই যদি বারবার অতিরিক্ত ঘাম হয়, তাহলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। নিজে থেকে কোনো ভিটামিন বা সাপ্লিমেন্ট শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আজকের আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url